News & Media

15 November 2012 In News & Media

(From The Daily Star 14th November 2012)

The authorities of Khulna Shipyard Limited yesterday handed over a newly built Landing Craft Vehicle Personnel (LCVP) worth Tk 16 crore to Army Chief General Iqbal Karim Bhuiyan.

The ship, which measures at 19.85 metres in length and 7 metres in breadth, was designed by China Shipbuilding Offshore Company (CSOC). The company also provided materials for the ship's construction.

Former army chief Abdul Mubin had inaugurated the vessel's construction works on June 29, 2011.

The ship is able to move at a speed of 10 to 15 nautical miles an hour, said Commodore R U Ahmed, also the managing director of the shipyard, at a ceremony held on the bank of Rupsha river to officially hand over the vessel.

Import of such a vessel, the first of its kind built for Bangladesh Army, would cost the country over Tk 50 crore, he added.

With 45 crew members, the ship can continue running for two days and nights at a stretch, the commodore said, adding that the vessel was launched on the river Rupsha on June 23 this year.

Speaking as the chief guest, Iqbal Karim Bhuiyan said the LCVP will run during war and during relief distribution after disaster strikes.

Khulna Divisional Commissioner Md Abdul Zalil, among others, attended the function.

The shipyard, on October 8, launched the first Patrol Craft for Bangladesh Navy.

15 November 2012 In News & Media

(From The Weekly Chutir Dine (publishes with The Daily Prothom Alo) 3rd November 2012)

দুপুরবেলা। রূপসা নদীতে তখন জোয়ার। তীরে দাঁড়িয়ে আছে কর্মচঞ্চল খুলনা শিপইয়ার্ড। সূর্যের আলোতে ঝিকমিক করছে নদীর পানি। আর চকচক করছে একদম তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা একটা জাহাজ। শিপইয়ার্ডে কর্মরত একজনকে জিজ্ঞেস করতেই বললেন, ‘হ্যাঁ, ওইটাই যুদ্ধজাহাজ।’ কথাটা বলার সময় তাঁর মুখটা ঝলমলে দেখাল বেশ। বোঝাই যায়, এই ঝলমলে হাসির পেছনে আছে গর্ববোধ। বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করেছে তাঁদের প্রতিষ্ঠান। গর্বের জায়গাটি এখানেই।

৮ অক্টোবর পানিতে ভাসানো হয়েছে যুদ্ধজাহাজটি। এখন চলছে ভেতর ও বাইরের প্রযুক্তিগত ও অঙ্গসজ্জার কাজ। আগামী ডিসেম্বরে পানিতে ছোটার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হবে ৫০ দশমিক ৪ মিটার দীর্ঘ এই রণতরি। তারপর তুলে দেওয়া হবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে। গত বছরের ৫ মার্চ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর ৮ অক্টোবর পানিতে ভাসানোর সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।
জোয়ারের কারণে তীরে বিছিয়ে রাখা ইট আর অস্থায়ী সিঁড়ি বেয়ে আমরা পৌঁছলাম যুদ্ধজাহাজে। বলতে গেলে যুদ্ধজাহাজে পা রাখার জন্য ছোটখাটো একটা যুদ্ধই করতে হলো। ভেতরে ঢুকতেই কাঁচা রং আর কলকবজার ঝাঁজালো গন্ধ বলে দিল—কাজ চলছে। মাকড়সার জালের মতো অসংখ্য বৈদ্যুতিক তার ঝুলে আছে এখানে-সেখানে। শিপইয়ার্ড-সংশ্লিষ্ট একজন আমাদের গাইড। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখাতে লাগলেন পুরো জাহাজটি। ২৫৫ টন জাহাজটির সামনের দিকে বসানো হয়েছে জাহাজবিধ্বংসী ২০ মিলিমিটারের দুটি কামান। পেছনে শত্রু বিমান ঘায়েল করার জন্য আছে ৩৭ মিলিমিটারের আরও দুটি। ভেতরে নিয়ন্ত্রণকক্ষটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি এখনো। তবে ওই নির্মাণাধীন নিয়ন্ত্রক মনিটরগুলোর সামনে দাঁড়ালেই শিহরণ খেলে যায় ভেতরে! মনে হয় এই তো জাহাজটা ছুটে যাচ্ছে, সামনে দুষ্কৃতকারীদের নৌযান! এই যুদ্ধজাহাজটা আসলে পেট্রোল ক্রাফট হিসেবেই ব্যবহূত হবে। বিষয়টি খোলাসা করলেন খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন) ক্যাপ্টেন এম জামশেদ আলী, ‘যুদ্ধজাহাজটি মূলত চোরাচালানবিরোধী কাজে ব্যবহূত হবে। এর মধ্যে কামান আছে, গভীরতা কম, গতি বেশ ভালোই। তাই এ ধরনের কাজে বেশ জুতসই যুদ্ধজাহাজ এটি। ছুটতে পারবে ঘণ্টায় ২৩ নটিক্যাল মাইল বেগে। গভীরতা ৪ দশমিক ১ মিটার। প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ মিটার। আকারে খুব বড় নয়। কিন্তু শুরু তো হলো। বড় যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের প্রথম পদক্ষেপ বলতে পারেন এটাকে।’
আর্থিক দিকটি নিয়ে বললেন প্রতিষ্ঠানটির উপমহাব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স) কমান্ডার এম মতিউর রহমান, ‘দেশেই নির্মাণের ফলে প্রতিটি জাহাজে বাংলাদেশের সাশ্রয় হলো প্রায় ৪২ কোটি টাকা। দেশের বাইরে থেকে একটি জাহাজ আমদানি করতে গেলে গুনে দিতে হতো প্রায় ১০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করতে ব্যয় হচ্ছে ৫৮ কোটি টাকা। এতে করে বেশ ভালো অঙ্কের লাভের মুখ দেখছে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।’

২.
গত বছর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের চুক্তি হয় খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের। চুক্তি অনুযায়ী, আড়াই বছরের মধ্যে সব কটি জাহাজ নির্মাণ করে নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেবে প্রতিষ্ঠানটি। এই যুদ্ধজাহাজটি ওই পাঁচটির একটি। বাকি চারটির কাজও চলছে। আসছে ডিসেম্বরে আরেকটি, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি এবং ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি দুটির কাজও শেষ হবে বলে জানালেন মতিউর। পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের জন্য বাজেট দেওয়া হয়েছে ২৮৮ কোটি টাকা। ৫৮ কোটি টাকায় কীভাবে সম্ভব হলো পুরো জাহাজ নির্মাণ? মতিউর বললেন, ‘এর প্রধান কারণ জাহাজটি এখানেই নির্মাণ করা হয়েছে। কাঁচামাল চীন থেকে এলেও, জাহাজ নির্মাণের জন্য যে জনবল দরকার, তার সবই আমাদের। এ ছাড়া আমাদের কাজে স্বচ্ছতাটাও একটা বড় ভূমিকা রাখছে এর পেছনে। সময়ের কাজ সময়ে এবং নিপুণভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে কোনো আপস করি না আমরা।’
খুলনা শিপইয়ার্ডে কেবল এই যুদ্ধজাহাজগুলোই নির্মিত হচ্ছে না। চলছে আরও তিনটি অয়েল ট্যাংকার, দুটি কার্গো ভেসেল, একটি আর্মি ল্যান্ডিং ক্রাফট, একটি ফায়ার ফাইটিং বোট এবং একটি সার্ভে বোট নির্মাণের কাজও। ৬৯ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই শিপইয়ার্ড আছে তিনটি বিভাগ—এক. ডিজাইন অ্যান্ড প্ল্যানিং, দুই. বার্থ এবং তিন. ওয়ার্কশপ। এই তিনটি বিভাগই এখন ব্যস্ত মূলত পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে। পাশাপাশি বাকি কাজগুলোও চলছে সমান তালে। প্রতিষ্ঠানটি সুনাম কুড়িয়েছে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া, তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী অর্থের বিনিময়ে সেবা এবং সেবার গুণগত মানের নির্ভরযোগ্যতার কারণে। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জেনস ফাইটিং শিপসের জার্নালেও উঠেছে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের নাম। জেনস ফাইটিং শিপস মূলত বিশ্বের রণতরির ‘রেফারেন্স বুক’। এখান থেকেই জানা যায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের রণতরি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আদ্যোপান্ত।

৩.
১৯৮৪ সাল থেকে খুলনা শিপইয়ার্ডে কাজ করছেন ক্ষিতীশ রায়। শিপইয়ার্ডের প্লেটার শপের এই সুপারভাইজারকে আমরা জিজ্ঞেস করলাম, দেশের প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করলেন আপনারা, ‘কেমন লাগছে?’ ওয়েল্ডিংয়ের আলোর ঝলকানিতে উজ্জ্বল তাঁর চোখ-মুখ, ‘অবশ্যই অনেক গর্ব হচ্ছে! এখন যদি আমাদের বলে, সাবমেরিন বানিয়ে দাও, আমরা পারব! এই আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে আমাদের। আমাদের জনবল আছে, প্রযুক্তি ছিল না। কিন্তু এখন প্রযুক্তির ব্যবহার করছি আমরা। ফলে ডিজাইনটা পেলে যেকোনো কষ্টসাধ্য কাজও করে ফেলতে পারব আমরা।’ বয়সে নবীন মহিবুল্লাহ আল আমীনের কণ্ঠেও আত্মবিশ্বাসের সুর, ‘আমরা যে পারি, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। আশা করি, সামনে আরও বড় বড় যুদ্ধজাহাজ বানাতে পারব আমরা।’
প্রযুক্তির ব্যবহারকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুজ্জামানও, ‘এই জাহাজটি নির্মাণের সময় তো চীনা প্রকৌশলীদের সহযোগিতা পেয়েছি আমরা। ওঁদের কাছে শিখেছি কীভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, বাকি জাহাজগুলো নির্মাণের সময় আমরা নিজেরাই পুরো কাজ সেরে ফেলতে পারব। এটা খুব জরুরি ছিল আমাদের জন্য। কারণ, প্রযুক্তির ব্যবহার জানা থাকলে সবকিছুই অনেক সহজ হয়ে যায়। বিদেশিদের সাহায্য লাগে না।’
আর যাঁরা সহযোগিতা করলেন, অর্থাৎ চীনা প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশলীরা কী বলেন? গরমে ঘেমে-নেয়ে জাহাজের ভেতরের ডিজাইন বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন শ্যান ফুক্সিন। চীনের শিনগ্যাং শিপইয়ার্ডের এই তরুণ প্রকৌশলী বললেন, ‘বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে সহযোগিতা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এখানে আসলে সবই আছে। দক্ষ জনবল, পরিবেশ, প্রকৌশলী। দরকার ছিল যথাযথ প্রযুক্তির। এই ক্ষেত্রে আমরা সহযোগিতা করলাম। আশা করি, সামনে বাংলাদেশ পুরো কাজটা একাই সম্পন্ন করতে পারবে।’

৪.
কেবল দেশের প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের গর্বেই উচ্ছ্বসিত নন খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সাধারণ শ্রমিকেরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁদের আয়-রোজগার। তাঁদের বক্তব্য, ‘শিপইয়ার্ডটা আছে বলেই অনেক তরুণ বিপথে যাচ্ছে না! ঠিকঠাকমতো কাজ শিখে অনেক তরুণই এখানে কাজ করছে।’ এই বক্তব্য বেশ যৌক্তিক। কারণ, খুলনার অনেক কলকারখানাতেই এখন তালা ঝুলছে। সেই তুলনায় খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড কেবল চলছেই না, বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। শিপইয়ার্ডের সামনেই স্থাপন করা হয়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার। এখানে তরুণেরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন জাহাজ নির্মাণের ওপর। সেখানকারই একজন কামরুল। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের জন্য শিপইয়ার্ডে এসেছিলেন এই তরুণ। নির্মাণকাজের কানে তালা লাগা শব্দের মধ্যেও দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করলেন, ‘কাজ শিখে এইখানে বড় বড় জাহাজ বানাইতে চাই!’
একই রকম উচ্চারণ খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর রিয়াজউদ্দীন আহমেদের কণ্ঠেও, ‘আমরা নিশ্চয়ই আরও উন্নত মানের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করব!’

15 November 2012 In News & Media

(From The Daily Star 9th October 2012)

The first-ever warship built by Bangladesh was launched by Foreign Minister Dipu Moni through a ceremony at Khulna Shipyard yesterday.

The warship, categorised as a patrol boat, was built by Khulna Shipyard at a cost of Tk 58 crore and will be handed over to Bangladesh Navy in December.

With a cruising speed of 18 nautical miles and a maximum speed of 23 nautical miles, the 255 tonne patrol boat is equipped with two 37 mm and two 20 mm guns capable of taking down aircrafts and ships.

Moreover, the 50.4 by 7.5 metre patrol boat can be at sea with 31 crew members for one week at a stretch without docking.

The patrol boat is among five Khulna Shipyard is constructing for Bangladesh Navy at a cost of Tk 288 crore, scheduled to be handed over by mid 2013. China Shipbuilding Offshore Company is supervising the construction and providing the designs and materials.

Khulna Shipyard signed the construction contract with Bangladesh Navy on May 2, 2010 and Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated the construction on March 5, 2011.

Addressing the ceremony as chief guest, Dipu Moni said with increasing demand for ships in the global market, Khulna Shipyard will hopefully be able to construct and export more ships with Chinese assistance.

Chief of the Naval Staff Vice Admiral Zahir Uddin Ahmed, local lawmakers and high civil and military officials were present at the ceremony.

Contact Us

Have query on any issue related to Khulna Shipyard? Want to know more about KSY? Just feel free to contact us.

Connect with Us

We're on Social Networks. Follow us & get in touch.

Site Visited

TodayToday25
YesterdayYesterday120
This WeekThis Week25
This MonthThis Month1893
All DaysAll Days132890
You are here: Home News & Events News & Media Items filtered by date: November 2012